ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ , ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হঠাৎ তুমুল বিতর্কে ‘সাইয়ারা’ নায়িকা অনীত পাড্ডা রাজধানীর হাতিরপুলে একটি বাসায় ভয়াবহ আগুন রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ইরানে ৯০০ কেজির ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বিস্ফোরণ! নোয়াখালীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে আধুনিক কৃষির রুপকার কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম পেট্রোল সাশ্রয়ে ৭ অভ্যাস, চালকদের জন্য জরুরি পরামর্শ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির তাগিদ রাসিক প্রশাসকের মানবতার ফেরিওয়ালা এসিল্যান্ড শিবু দাশ আশ্রয়প্রার্থীদের স্থগিত আবেদন আবার চালু করল যুক্তরাষ্ট্র বরিশালে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রাণ গেল কলেজছাত্রের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির খটক মাছ আলো-ছায়ায় এভাবেই ধরা দিলেন সারা অর্জুন ভারতে মন্দিরে পদদলিত হয়ে নিহত ৮ হামজাদের জন্য চীনকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আমন্ত্রণ সন্তানের কোষ্ঠকাঠিন্যে সতর্ক হওয়া দরকার অভিভাবকদের

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি ২০ শিশুর প্রাণ বাঁচানো সেই শিক্ষিকা মাহরিন!

  • আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৪৭:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৫ ০৩:৪৭:৩০ অপরাহ্ন
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি ২০ শিশুর প্রাণ বাঁচানো সেই শিক্ষিকা মাহরিন! ছবি: সংগৃহীত
উত্তরার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আলোচনায় মাইলস্টোন স্কুলটির শিক্ষিকা মাহরিন চৌধুরী। যিনি একাই প্রাণ বাঁচিয়েছেন ২০ জন কোমলমতি শিশুর। অবুঝ এসব শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গিয়েই বিসর্জন দিয়েছেন নিজের জীবন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে দেখা যাচ্ছে শোকাবহ চিত্র। এবার সামনে এসেছে সাহসী এই নারীর পরিচয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমানের আদরের ভাতিজি তিনি। প্রয়াত জিয়াউর রহমানের মামাতো ভাই এম আর চৌধুরীর কন্যা এই মাহরিন চৌধুরী। 

নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়ার মেয়ে মাহরিন চৌধুরী ছিলেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষিকা। শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবস বিসর্জন দেওয়া এই নারী কখনোই তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করতেন না। অথচ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় যখন অনেক নেতা গ্রেপ্তার এড়াতে দূরে থাকতেন, তখন মাহরিন চৌধুরী সাহসিকতার সঙ্গে খাবার নিয়ে হাজির হতেন হাসপাতাল কিংবা কারাগারে। জিয়া পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ থাকলেও কেউ ক্ষুনাক্ষরেও জানেনি তার সত্যিকারের পরিচয়। 

মাহরিন চৌধুরী একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষিকা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বিশ্বজুড়ে। স্বজনদের ভাষ্যে, মাহরিন প্রচারবিমুখ মানুষ ছিলেন। কোনো মিডিয়া কাভারেজ বা বাহবায় কোন রকমের আগ্রহ ছিল না তার। তিনি কাজ করতেন নিঃশব্দে, নিঃস্বার্থভাবে, মানুষের জন্য। 

সোমবার (২১ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হলে ভবনের ভিতরে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে এগিয়ে যান মাহরিন চৌধুরী। ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিরাপদে বের করতে সক্ষম হলেও নিজে আর বের হতে পারেননি। ঘটনাস্থলেই তার শরীরের একটি অংশ দগ্ধ হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে দশটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে তার আসল পরিচয় বের হয়ে আসার পর থেকেই হচ্ছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন আপোষহীন নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভাতিজি বলে কথা। জিয়া যেমন সাধারণ মানুষের জন্য ভাবেনি নিজের কথা, দিয়ে গেছেন আপন প্রাণ। তেমনি তার ভাতিজিও নিজের প্রাণ দিয়ে গেলেন কোমলমতি শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু

রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু